Followers

Monday, 3 August 2020

Being A Social Worker

Being A Social Worker

Are you considering becoming a social worker? That's a career path for the inspired and passionate by heart. Unless it you won't find delight. The admission process to university is. Typically you'd need to submit these materials: Social employee personal announcement - centric class work documentation - management - Reference letters - Program fee - Transcript copies - possibly the most crucial documents to be submitted is why I wish to be a social worker personal announcement. You need to talk to the hearts and also the minds of the recipients. All jobs have positives and negatives. As being a social worker is nothing different. 

You'll have cons and pros. Pros of becoming a social worker: Variety Social employees have a wide range of fields. They might work in schools, hospitals, nursing facilities and even the military. Many workers find work in associations as well as government schools. This is the footstep from the doorway. Work environment Social workers don't have the worst work environments. It's in a workplace, schools, hospitals or government associations. These are safe and secure surroundings. Opportunity for growth Event if you work hard though it is not simple to get the foot in the doorway as a social worker, you have opportunities. 

You open doors by finishing your MSW. This may assist your growth a ton. Cons of becoming a social worker: Emotional fatigue As being a social worker is not simple. Particularly if you've to cope with difficult circumstances. This occurs if you find impossible to distinguish your occupation and your personal life. Compensation Social workers are none of the top earning careers. You've to really do it for the love of it. It's a secure income, but a lot of social employees live an average financial life. Blend this with low pay and you've a very big con for this occupation. 

We need passionate, good social employees to help restore the future of our people. Having a social worker degree will assist you personally as well. You learn how to analyze individuals in your every day activity and could save you some heartache. Author bio - Brendine Palmer professional blogger as well as content writer. She's masters degree in social work. Work hard, have fun and help individuals is describing her as an individual.

Tuesday, 28 July 2020

“ভূতের ধমক”

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছ? আশা করি ভালো আছ । কিন্তু আমি ভালো নেই।কারণ গতকাল সন্ধ্যায় আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাটা ভুলে যেতে পারি নি।এখন আমি সেটাই বলবঃ-

আমার কিছুদিন ধরে গল্প লেখার অভ্যাস হয়ে গিয়েছে।তাই আমি সময় পেলেই গল্প লিখতে বসি।কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে লক্ষ করে দেখলাম আমি রাতে যখন গল্প লিখতে বসি তখন কেও  আমার গায়ে নিশ্বাস ফেলে।কিন্তু আমি ভাবলাম এ হয়ত ভয়ে হচ্ছে,কারন আস্মি যেহেতু ভূতের গল্প লিখতেছি তাই এমন হয়। গতকাল সন্ধ্যায় আমি গল্প লিখতে ছিলাম,কারন তখন বাসায় কেও ছিল না।তাই ভাবলাম এই ফাঁকে কিছু লেখা জাক।আমি যখন গল্প লিখতে শুরু করলাম প্রায় ২টা লেখা শেষ তখন মনে হলো আমার গালে কেও আমার গালে একটি থাপ্পর দিল।তখন এদিক-সেদিক তাকিয়ে একজন বলল-“তুমি রপকথার গল্প লিখছিলে,বিভিন্ন রহস্যের সন্ধান করতেছিলে সেটা তো ভালো ছিল।তুমি হটাঠ মরতে আমাদের দিকে হাত বাড়ালে কেন?” আমার তো তখন রাগ উঠে গেছে,তাই আমি বললাম ব্যাটা চোর তুই আমার গায়ে হাত দিলি কোন সাহসে?আর তুই বাসায় ঢুকেছিস কেন?”তখন সে আবার বলল, “ভদ্রতার সঙ্গে কথা বলো।আমাকে দেখে কি তোমার চোর মনে হয়?” মি রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে বললাম “তা নয়ত কী? সবাই কোট-টাই পরলেই ভদ্রলোক হয়ে যায় না।আর এখানে এসেছিস কেন?” তখন সে বল্ল-“আমি তোমাকে সাবধান করবার জন্য এসেছি,মানে তোমাকে warning দেওয়ার জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছে।

 আমি বিনীত কণ্ঠে বললাম-“কী বলতে চাও তুমি?”

সে ধমকের সুরে বলল-“আমি তোমাকে সাবধান করে দিচ্ছি তুমি আর কখনও কোনো magazine এ ভূতের গল্প লিখবে না”।

আমি অবাক হয়ে বললাম -“কিন্তু কেন?আমার গল্প কি ভালো না?”

সে রাগ দেখিয়ে বলল-“তুমি তো আচ্ছা বদ ছেলে।বড়দের সামনে সিগারেট খাচ্ছ”।

আমি এবার তুমি থেকে আপনি করে বললাম-“sorry,আপনার কথা ভুলে গিয়েছিলাম-“আচ্ছা আপনি কী আমার গল্প পড়েন?”

সে বলল-“বিপদে পরে পড়তে হয়”।

আমি বললাম-“তা কেনো?”

সে বলল-“ওটা আমার ডিউটি।কিন্তু আজকাল তুমি এতই ভুতুড়ে গল্প লেখ যে তোমাকে নিয়ে পড়ে থাকতে হয়।আমার এতক্ষনে মনে হলো সে রানা ভাই এর সাথে কাজ করে।কিন্তু আমি তো তার কাছে তেমন পরিচিত নয়।তাকে মাঝে মাঝে আমার গল্পের মান দেখার জন্য অনুরোধ করি।তাই আমি বললাম-“আপনি কী রানা…..”

সে আমাকে থামিয়ে দিয়ে বলল-“আমি রানা-টানার কিছু নই।ও বেটাকেও একদিন শিক্ষা দিতে হবে।সে-ই সব নষ্টের মূল”।

আমি বললাম-“ তা কেনো?”

সে বলল-“ওই ব্যটার থেকেই পিচ্ছি ছেলে-মেয়েগুলো ভূতের গল্প লিখতে শুরু করছে।আমাদের মান-সম্মান শেষ করে দিল।সেজন্য ওর নানা দুঃখ করে অনেক”।

তার কথা শুনে মেজাজ আবার বিগরে গেলো।আমি বললাম-“ আপনি মিয়া বাটপার নাকী?রানা ভাইয়ের নানা তো মারা গিয়েছে ৩মাস আগেই”।

তখন সে বলল-“আমি কি দুনিয়ার কথা কথা বলছি?মার কাছে মামা বাড়ির গল্প?”

লোকটার কথা শুনে মনে হলো লোকটি আমাকে ধমকাবার জন্যই এসেছে।

সে আবার বলল-“শোন,তুমি এসব ছাই আর লিখবে না।আর লিখলে এমন শাস্তি দেবো যে বাড়িতে বসে একা একা বিকেল বেলা সিগারেট টানতে পারবে না।যাই হোক এখন অনেক দূরে যেতে হবে”। এটা বলেই সে উঠে দাঁড়ালো।

আমি সাথে সাথে বললাম-“স্যার,আপনার পরিচয় টা?”

সে বলল-“আমি ভূতদের রিপ্রেজেন্টি মানে দূত।ওখানকার সেনসার অফিসের এক জুনিয়র অফিসার।সদ্য গিয়েছি।গত দুমাস আগে গিয়েছি।আমি দুমাস আগেই বাংলাদেশ আর্মিতে কাজ করতাম।কিছুদিন আগে rohinga দের বাঁচাতে গিয়ে মারা পড়েছি।আর সেখানে যেতেই আমাকে এই পোস্টে বসিয়ে দিলো।আচ্ছা এখন আসি তাহলে।কথাটি মনে রেখো”।

এটা বলেই সে বাতাসে মিলিয়ে গেলো।তাই ভাবতেছি আর ভূতের গল্প লিখব না।

 


Monday, 27 July 2020

সমাজসেবা



আমরা সকলে সমাজ সেবা বলতেই শুধু মানুষদের আর্থিক বা যাবতীয় কোন সাহায্যকেই বুঝে থাকি।
আর আমরা মনেকরি এই সমাজসেবা শুধু দেশের রাজনৈতিক নেতা,বড়লোক বা প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাই করবে।

কিন্তু আমি মনেকরি সমাজসেবা শুধু মানুষকে নয় আর শুধু প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাই করবে না।
সমাজের সকলেই চাইলে সমাজ সেবা করতে পারি।আমরা একটু বাসার সামনে লক্ষ্য করলেই দেখতে পারব কিছু অসহায় প্রাণী বসে আছে।
যারা আপনার আর আমার মতো মানুষের হক মারতে পারে না,চুরিও করতে পারে না।
আমরা সবাই চাইলেই তাদের বাচিঁয়ে রাখতে পারি।
নষ্ট খাবারগুলো ফেলে না দিয়ে অথবা আমাদের খাবার থেকে সামান্য কিছু খাবার তাদের দিলে তারা অন্তত জীবন বাচাতে পারবে।
এই মহামারির সময়ে সকল খাবার দোকান বন্ধ থাকায় তারা অসহায় হয়ে পড়েছে।
আমাদের উচিৎ সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আল্লাহর প্রত্যেকটি সৃষ্টির খেয়াল রাখা।
তাই শুধু নেতাদের দোষ না দিয়ে আমরা সাধারণ মানুষরাও অংশ নিতে পারি। আসুন আমরা সবাই সবার জন্য এগিয়ে আসি।

Thursday, 23 July 2020

স্বার্থপরতা

স্বার্থপরতা


mehedi hassan fahad


সব কাজের পেছনেই একটি কারণ থাকে। এই জন্য আমার মনে হয় সব মানুষ স্বার্থপর।
মানুষরা তিন ধরনের স্বার্থপর হয়ে থাকে।যথাঃ
১।স্বার্থপর লোকঃ আমরা সবাই একধরণের লোকদের স্বার্থপর বলে থাকি।
যারা নিজের প্রয়োজনে আপনার সাথে আপনার সামনেই বেঈমানী করে।
এরা সাধারণত নিজের দরকারে আপনাকে যেই কোনো ধরনের বিপদে ফেলতে পিছু হটবে না।
২। বিনিময়ী স্বার্থপরঃ এই ধরনের লোকেরা আপনার উপকার করবে।
কিন্তু সময়মতো আপনাকে কথা শোনাবে।আপনাকে বারবার মনে করিয়ে দিবে যে আপনাকে সে সাহায্য করেছিল।এদের আরেকটি কাজ হলো সময়ে সময়ে সাহায্য করা।
মানে যখন বুঝতে পারবে ভবিষ্যতে আপনাকে দিয়ে তাদের লাভ হবে তখন তারা নিজের জীবন দিয়ে দিবে আপনাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করতে।
আর যদি বুজতে পারে আপনাকে দিয়ে তার উপকার হবে না,তখন তারা হয় আপনাকে বয়কট করবে নয়তো তারা সাহায্য করতে পারলেও না করে মিথ্যা শান্তনা দিয়ে পাশে থাকবে
এই ধরনের লোকেরা আবার লোক দেখানোর জন্যও যেই কোনো কাউকে সাহায্য করতে পারে।
৩।খুশির স্বার্থপরঃ এই ধরনের লোকগুলো আমার খুবই পচন্দ।
আমার মনে হয় প্রত্যেককেই খুশীর স্বার্থপর হওয়া উচিত।
এই ধরনের লোকেরা সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য জীবনও দিয়ে দিতে পারে।
এদের স্বার্থ লুকিয়ে থাকে খুশির মধ্যে।ভেবে দেখুন কোনো একদিন হয়তোবা কাউকে সাহায্য করেছেন এবং তাকে সাহায্য করতে পেরে আপনার খুব খুশি লেগেছে।
হ্যা,আমি সেই মুহুর্তের কথাই বলছি।আমাদের সবার উচিৎ এই ধরনের স্বার্থপর হওয়া।
উক্ত কারনেই আমি মনেকরি পৃথিবীর সবাই স্বার্থপর।চিন্তা করে দেখুন তো আপনি কত নাম্বারে আছেন? আপনার আশেপাশের যেই লোকেরা সাহায্য করে তারা কোন নাম্বারে?

"বংশগত খুনী"

"বংশগত খুনী"



আজকের গল্গটা নিছক গল্প নয়,একদম সূয্যিমামার আলোর মতো সত্য।আমি আজকে বলতে চাচ্ছি একটি পরিবার নিয়। এই পরিবারের সব সদস্যই খুনী।এখানে জন্মের পরে একটু বড় হলেই বাবা-মা সন্তানদের খুনী করে তোলে।তাদেরও দোষ দেওয়া চলে না।তাদের বেঁচে থাকতে হলে খুন করতেই হবে,রক্ত ঝরাতেই হবে।মানুষ খুবই রহস্যম। এই রহস্যময় মানুষদের মধ্যে এই পরিবারটিও খুবই রহস্যম। কারণ,আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না তের বছরের বাচ্চা যে সেও খুন করে।সদ্য কৈশোর পার করা ১৯ বছরের ছেলেটির গায়ে কেও হাত দিতে পারে না প্রাণ যাবার ভয়ে। আজ আমি আপনাদের বলতে চাচ্ছি সেই ভয়াল রাতের ঘাটনা যা শুনলে কেউই ঠিক থাকতে পারবে না।এইতো বেশ কিছুদিন আগের কথা।একদিন রাতে সেই পরিবারের কিছু শএু তাদের বাড়িতে ঢুকে পরে।তখন শএুরা অন্ধকারে তাদের উপর ঝাপিয়ে পরে।সদ্য কৈশোর পার করা ছেলেও ছাড় দেওয়ার নয়।অন্ধকারের মাঝেই কয়েক জনকে মেরে ফেলে ছেলেটি।শব্দ শুনে তার মায়া পাশের রুম থেকে দৌঁড়ে চলে আসে এবং আলো জ্বালিয়ে দেয়।অবশেষে ছেলেটি একাই বেশ কয়েক জনকে হত্যা করে নিজের হাতকে রক্ত রঞ্জিত করে ফেলে।অবশ্য সবাইকে মারতে পারে না।কয়েকজন "দেখে নেবে পরের বার" বলে পালিয়ে যায়।প্রতি রাতেই এভাবেই মারা যায় বেশকিছু গুন-গুন করতে থাকা বীর। প্রত্যেক ঘরে তল্লাশী করলেই পাওয়া যাবে এভাবে শহীদ হওয়া বীর ও এই খুনীদের কথা।

দেশের মাটি

  আমার জন্ম হয়েছিল চাঁদপুর জেলার মতলব থানার ছোটদূর্গাপুর গ্রামে।আমি যখন ৩য় শ্রেণীতে পড়ি তখন ঢাকা চলে এসেছিলাম।আমার যতটুকু মনে পড়ে আমি যা কিছ...