Followers

Tuesday, 28 July 2020

“ভূতের ধমক”

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছ? আশা করি ভালো আছ । কিন্তু আমি ভালো নেই।কারণ গতকাল সন্ধ্যায় আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাটা ভুলে যেতে পারি নি।এখন আমি সেটাই বলবঃ-

আমার কিছুদিন ধরে গল্প লেখার অভ্যাস হয়ে গিয়েছে।তাই আমি সময় পেলেই গল্প লিখতে বসি।কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে লক্ষ করে দেখলাম আমি রাতে যখন গল্প লিখতে বসি তখন কেও  আমার গায়ে নিশ্বাস ফেলে।কিন্তু আমি ভাবলাম এ হয়ত ভয়ে হচ্ছে,কারন আস্মি যেহেতু ভূতের গল্প লিখতেছি তাই এমন হয়। গতকাল সন্ধ্যায় আমি গল্প লিখতে ছিলাম,কারন তখন বাসায় কেও ছিল না।তাই ভাবলাম এই ফাঁকে কিছু লেখা জাক।আমি যখন গল্প লিখতে শুরু করলাম প্রায় ২টা লেখা শেষ তখন মনে হলো আমার গালে কেও আমার গালে একটি থাপ্পর দিল।তখন এদিক-সেদিক তাকিয়ে একজন বলল-“তুমি রপকথার গল্প লিখছিলে,বিভিন্ন রহস্যের সন্ধান করতেছিলে সেটা তো ভালো ছিল।তুমি হটাঠ মরতে আমাদের দিকে হাত বাড়ালে কেন?” আমার তো তখন রাগ উঠে গেছে,তাই আমি বললাম ব্যাটা চোর তুই আমার গায়ে হাত দিলি কোন সাহসে?আর তুই বাসায় ঢুকেছিস কেন?”তখন সে আবার বলল, “ভদ্রতার সঙ্গে কথা বলো।আমাকে দেখে কি তোমার চোর মনে হয়?” মি রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে বললাম “তা নয়ত কী? সবাই কোট-টাই পরলেই ভদ্রলোক হয়ে যায় না।আর এখানে এসেছিস কেন?” তখন সে বল্ল-“আমি তোমাকে সাবধান করবার জন্য এসেছি,মানে তোমাকে warning দেওয়ার জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছে।

 আমি বিনীত কণ্ঠে বললাম-“কী বলতে চাও তুমি?”

সে ধমকের সুরে বলল-“আমি তোমাকে সাবধান করে দিচ্ছি তুমি আর কখনও কোনো magazine এ ভূতের গল্প লিখবে না”।

আমি অবাক হয়ে বললাম -“কিন্তু কেন?আমার গল্প কি ভালো না?”

সে রাগ দেখিয়ে বলল-“তুমি তো আচ্ছা বদ ছেলে।বড়দের সামনে সিগারেট খাচ্ছ”।

আমি এবার তুমি থেকে আপনি করে বললাম-“sorry,আপনার কথা ভুলে গিয়েছিলাম-“আচ্ছা আপনি কী আমার গল্প পড়েন?”

সে বলল-“বিপদে পরে পড়তে হয়”।

আমি বললাম-“তা কেনো?”

সে বলল-“ওটা আমার ডিউটি।কিন্তু আজকাল তুমি এতই ভুতুড়ে গল্প লেখ যে তোমাকে নিয়ে পড়ে থাকতে হয়।আমার এতক্ষনে মনে হলো সে রানা ভাই এর সাথে কাজ করে।কিন্তু আমি তো তার কাছে তেমন পরিচিত নয়।তাকে মাঝে মাঝে আমার গল্পের মান দেখার জন্য অনুরোধ করি।তাই আমি বললাম-“আপনি কী রানা…..”

সে আমাকে থামিয়ে দিয়ে বলল-“আমি রানা-টানার কিছু নই।ও বেটাকেও একদিন শিক্ষা দিতে হবে।সে-ই সব নষ্টের মূল”।

আমি বললাম-“ তা কেনো?”

সে বলল-“ওই ব্যটার থেকেই পিচ্ছি ছেলে-মেয়েগুলো ভূতের গল্প লিখতে শুরু করছে।আমাদের মান-সম্মান শেষ করে দিল।সেজন্য ওর নানা দুঃখ করে অনেক”।

তার কথা শুনে মেজাজ আবার বিগরে গেলো।আমি বললাম-“ আপনি মিয়া বাটপার নাকী?রানা ভাইয়ের নানা তো মারা গিয়েছে ৩মাস আগেই”।

তখন সে বলল-“আমি কি দুনিয়ার কথা কথা বলছি?মার কাছে মামা বাড়ির গল্প?”

লোকটার কথা শুনে মনে হলো লোকটি আমাকে ধমকাবার জন্যই এসেছে।

সে আবার বলল-“শোন,তুমি এসব ছাই আর লিখবে না।আর লিখলে এমন শাস্তি দেবো যে বাড়িতে বসে একা একা বিকেল বেলা সিগারেট টানতে পারবে না।যাই হোক এখন অনেক দূরে যেতে হবে”। এটা বলেই সে উঠে দাঁড়ালো।

আমি সাথে সাথে বললাম-“স্যার,আপনার পরিচয় টা?”

সে বলল-“আমি ভূতদের রিপ্রেজেন্টি মানে দূত।ওখানকার সেনসার অফিসের এক জুনিয়র অফিসার।সদ্য গিয়েছি।গত দুমাস আগে গিয়েছি।আমি দুমাস আগেই বাংলাদেশ আর্মিতে কাজ করতাম।কিছুদিন আগে rohinga দের বাঁচাতে গিয়ে মারা পড়েছি।আর সেখানে যেতেই আমাকে এই পোস্টে বসিয়ে দিলো।আচ্ছা এখন আসি তাহলে।কথাটি মনে রেখো”।

এটা বলেই সে বাতাসে মিলিয়ে গেলো।তাই ভাবতেছি আর ভূতের গল্প লিখব না।

 


No comments:

Post a Comment

দেশের মাটি

  আমার জন্ম হয়েছিল চাঁদপুর জেলার মতলব থানার ছোটদূর্গাপুর গ্রামে।আমি যখন ৩য় শ্রেণীতে পড়ি তখন ঢাকা চলে এসেছিলাম।আমার যতটুকু মনে পড়ে আমি যা কিছ...